Archive for April, 2016

বন্ধু জীবন

April 19, 2016

বন্ধু জীবন
-মাহফুজ খান

যদিও তেইশ বছর চলে গেছে তাতে কি? এখনো কিছু স্মৃতি হৃদয়ে স্হান করে নিয়েছে। স্কুল ও কলেজের সেই কোমল দুষ্টুমিগুলো এখনো মনে একটি বিশেষ প্রভাব ফেলে। সব বন্ধুদের জানা-অজানা কথাগুলো গল্প আকারে প্রকাশ হলে আশা করছি সেই স্মৃতি সবারই ভালো লাগবে। অন্তত আমাদের ছেলে-মেয়েরা জানুক তাদের বাবা-মা কেমন মজার মজার দুষ্টুমি করতো। গল্পের অনেক কিছুই হয়তো এখন প্রকাশিত হলে আমরা লজ্জায় পরে যেতে পারি। তাতে কি? গল্প তো গল্পই। তাই আশা করছি সবাই তার স্মৃতি পটে থাকা কিছু কথা প্রকাশ করুক। এতে লজ্জিত বা ভীত হওয়ার কিছু নেই। আর যদি থেকেও থাকে, তাতে কি? যদি এতে কারো আপত্তি থাকে সে ক্ষেত্রে সেটি প্রকাশিত হবে না।

সব গল্পগুলো লেখা হলে সেটা বই আকারে প্রকাশ করতে চাই।

 

 

 

জাপান কাহিনী

April 5, 2016

– মাহফুজ খান

কাহিনী-১: আত্মহত্যা
আত্মহত্যায় জাপান বিশ্বে প্রথম। প্রতি বছর গড়ে দশ হাজার মানুষ আত্মহত্যা করে বিভিন্ন কারনে। ট্রেন জাপানের সবচেয়ে জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম। কম বেশী এখানে সবারই গাড়ি থাকলেও, জাপানীজরা অফিসে যাওয়ার জন্য ট্রেন ব‍্যাবহার করে। কারন জাপানের ট্রেন টাইম টেবিল মেনে চলে। এক মিনিট দেরি হলে রেল কতৃপক্ষ যাত্রীদের কাছে ক্ষমা চায়। এবং যাত্রীদেরকে দেরীর কারন জনিত একটি কাগজ দিয়ে দেয় যেটা কিনা অফিসে দেখাতে হয়। যদি কেউ দেরীর কারন জানতে চায়, তখন এই প্রমাণ পত্রটি দেখালেই যথেষ্ট। এই হচ্ছে সময় সম্পর্কে জাপানীজদের সচেতনতা। এই কারনেই জাপানীজরা এত উন্নত জাতি।
আর একটা কথা না বললেই নয়, আর তা হলো জাপানীজদের আত্মসন্মানবোধ খুবই দৃঢ়। এরা মরে যাবে তবুও অপমান সহ্য করবে না। এই কারণে এরা অহংকারীও বটে। যাহোকা জাপানীরা আত্মহত্যার জন্য ট্রেনকে বেশি পছন্দ করে। কারন হলো প্রতিটি আত্মহত্যার জন্য ট্রেন পনের থেকে ত্রিশ মিনিট বন্ধ থাকে।
আর জাপানে ট্রেন বন্ধ থাকার অর্থ হলো লক্ষ লক্ষ মানুষের অসুবিধা যা এদেশের সরকারের জন্য অপমানজনক। বিভিন্ন কারণে এদেশের মানুষ আত্মহত্যা করে।