Archive for June, 2015

স্বপ্নকে খুঁজি

June 22, 2015

জানালা খুলে আকাশ দেখি
পুরনো এক স্বপ্নকে খুঁজি রোজ

আসছো একা

June 14, 2015

আসছো একা
যাইবাও একা
সঙ্গে তোমার নাই কেউ
যাইবার পথে কি নিলা
বন্ধু তুমি দেখলা না
যমদূত যখন ঘড়ি দেখে
সময় তুমি পেলে না
অন্ধকারে ভীত তুমি
বাত্তি তুমি কিনলে না
কবর তোমার শুকিয়ে  গেছে
কেউ তো এসে দেখলো না
যাদের জন্য রেখে গেলে
কেউ তো খবর নিল না
মাথার উপর সূর্য যখন
সঙ্গে তোমার ছাতা কই ?
ঐ জীবনে মুখ দেখবার
আয়না তুমি নিলে না
সময় থাকতে বন্ধু তুমি
রবের কথা বুঝলে না
প্রেম-ভালোবাসা যাঁকে বাসার
তাঁকে তুমি বাসলে না
পাপকে তুমি ভালোবাসলে
পূণ্যকে তুমি বাসলে না
শেষ বিচারে মুখটি তোমার
কেমনে তাঁকে দেখাবে?
তোমার ভিতর  ও বাহির ভিন্ন
কথা ও কাজে মিল তুমি রাখলে না
মোনাফেকের মত কাটাইলা জীবন
মুমিন তুমি হইলা না

পিতৃত্ব

June 13, 2015

পিতৃত্ব
-মাহফুজ খান

’বাবা’ নামটির পূর্ণতায় ডুব সাঁতার কাটি
যখন ছেলের মুখে ঐ মিষ্টি ডাকটি শুনি।
কি মধুর সেই অনুভুতি!
কি করে বুঝাবো আমি, জানা নেই তা।
পিতৃত্ববোধ যে কতটা সুখময়
এখন তা আমি বেশ বুঝি।

প্রিয় বাবা

June 9, 2015

প্রিয় বাবা
-মাহফুজ খান

অতীব নিরাপদ জীবন যাত্রায়
আপনি ছিলেন নির্ভীক পরিচালক,
যা আজও আমাদের প্রেরণা দেয়।
আপনার ধৈর্য ও সহনশীলতা ছিল
হিমালয়ের মত শীতল ও শান্ত।
ছেলেবেলার কত অবাধ্যতাকে সহ্য করে
আদর দিয়েছেন আপনি উজাড় করে।
বটবৃক্ষতুল্য আপানার পিতৃস্নেহ ছায়ায়
বড্ড শীতল ছিল আমাদের প্রাণ।
উচ্চতর শিক্ষালাভের স্বপ্ন নিয়ে
যখন দ্বিধাজড়িত প্রস্তাব রাখলাম,
আপনি আমাকে নিরাশ করেন নি।
পাঁচ ভাই-বোনের বড় সংসারের 
সবার চাহিদা মেটাতে
আপনার কষ্টার্জিত স্বল্প আয়কে
আমরা হিমশিম খেতে দেখিছি,
তবুও আপনি বিচলিত হননি।
আপনি মিষ্টি হেসে মা’কে বলতেন
একদিন স্বপ্নের দিন আসবে
সুখ-শান্তি ভরে উঠবে আমাদের ঘর।
আপানার অম্লান সেই পবিত্র হাসি খানা
আজও আমাদের হৃদয়কে শান্ত রাখে।
কত ঈদ পার করেছি
কত নতুন নতুন রঙিন পোশকে
কিন্তু আপনাকে নতুন পোশাক পড়তে দেখেনি
পরিবর্তে আপনি আমাদের
নতুন বই-খাতা কিনে দিতেন
সেই সব স্মৃতিগুলো
আজও আমার কাছে অমূল্য হয়ে আছে
এবং থাকবেও তা আজীবন।
আমাদের পড়াশোনা শেষ না হতেই যখন আপনি
এই পৃথিবী থেকে চলে গেলেন হঠাৎ করে,
সামনে চলার পথগুলো তখন বড্ড অনিরাপদ ছিল।
কিন্তু আমরা মূহুর্তের জন্যেও থমকে যাইনি
আপনার আদর্শ ও উপদেশ ছিল আমাদের জীবনী শক্তি। আপনার স্বপ্নগুলোকে বাস্তবিক করতে
আমরা ছিলাম দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
আজ আমরা সবাই প্রতিষ্ঠিত,
শুধু আপনার উপস্থিতি নেই।
আপনার জন্যই আজ আমি
পৃথিবীর সবচেয়ে উন্নত দেশে বাস করি,
শুধু সেখানে নেই আপানার সেই স্পর্শ খানি,
এ যেন এক সীমানাহীন অপূর্ণতা।
সৃষ্টিকর্তার নিকট শুধু একটিই প্রার্থনা-
অনাবিল প্রশান্তিতে ভরে উঠুক আপনার পরকাল।
ধন্যবাদ, শ্রদ্ধেয় প্রিয় বাবা,

আমাকে জন্ম দেয়ার জন্য।