খাওয়ার মজাতে

January 6, 2017

বউ গেছে দেশেতে
খাওয়া-দাওয়া বাইরেতে
প্রতিদিন কাজ শেষে
রিপিটেড মেনুতে
মেজাজটা চরমে
পেটে ক্ষিধে নিয়েতে
বাড়ি ফিরে ফ্রিজেতে
স্যামন মাছ আছে যে
আড় চোখে দেখিতে
পেয়ে গেলাম টেবিলে
কুমড়াটা পেয়াজের পাশেতে
উকি দিয়ে দেখিতেই
সরিষার পাশেতে
আছে মরিচ তাকিয়ে
আর দেরী সয়না যে
মাছ ভাজি করিতে
লেগে গেলাম ভর্তাতে
গরম ভাতের আনন্দে
দুই-তিন প্লেটে
মজা করে খেলাম যে।
———————–
-মাহফুজ খান, ৬/১/২০১৭ ইং।

একটা গান লিখতে চাই তোমার জন‍্য

December 21, 2016

একটা গান লিখতে চাই তোমার জন‍্য

-মাহফুজ খান

একটা গান লিখতে চাই তোমার জন‍্য

যার সুরকার হব আমি নিজেই

গানটি আমিই গাইবো

বিশ্রামে যখন তুমি চোখ যুগল বন্ধ রাখবে

ঠিক তখনি গানটি বেজে উঠবে

তোমার মনে হবে সুর গুলো খুব দূরের

অস্থিরতা দিবে না তোমাকে এতটুকু বিশ্রাম।

কিংবা যখন তুমি গাড়িতে করে অফিসে যাবে

তোমার নির্বাচিত গানগুলোর মাঝে আমার গানটিও লুকিয়ে থাকবে

খুব হঠাৎ করেই সেটি বেজে উঠবে

এক অজানা অস্থিরতা তোমাকে ব্যাকুল করবে

তুমি শান্তি পাবে না, শান্তি পাবে না।

আমি চাই তোমার একান্ত মুহুর্তেও এই গানটি বেজে উঠুক

তুমি শান্তি পাবে না, শান্তি পাবে না।

​বন্ধু গল্প

December 20, 2016

​বন্ধু গল্প

– মাহফুজ খান
আজ আমার এক চাইনীজ সহকর্মী বিজনেস ট‍্যুরে জাপানে এসেছে। আমার জন‍্য অনেক গিফট নিয়ে এসেছে।😊😊😊 দুই বছর পূর্বে আমরা একই প্রোজেক্টে  বছর খানেক কাজ করেছিলাম। খুব ভাল একটি টিম ওয়ার্ক ছিল। 

গত সপ্তাহে আমেরিকা থেকে আরেক কলিগ বন্ধু বিশাল আকারের সারপ্রাইজ গিফট পাঠিয়েছে। পেয়ে তো খুব খুশী আমি। 😊😊😊 

আমার বাসা থেকে নারিতা এয়ারপোর্টের দূরত্ব প্রায় ১০০ কিমি। পরশুদিন, বর্তমানে একই অফিসে চাকুরী করি এমন একজন কলিগ আচমকা যখন বলে আগামীকাল আপানাদেরকে এয়ারপোর্টে পৌছে দিয়ে আসবো তখন আবেগকে আর ধরে রাখতে পারেনি। তিনি পরের দিন খুব ভোরে আমার বাসায় হাজির উপকার করার জন‍্য।

মনে করতে থাকি আমার কোন কোন ভালো কাজের জন‍্য তারা আমাকে এতটা মনে রেখেছে। সেই কজগুলো খুব বেশী করে করতে চাই।

এতটা বন্ধন যে আমাকে খুব ইমোশোনাল করে তোলে।😢😢😢
কলিগ যখন বন্ধুতে পরিনত হয় তখন খুব ভালো লাগে। 😊😊😊

দন্ত গল্প

December 19, 2016

দন্ত গল্প

-মাহফুজ খান

স্থান: ডেন্টাল হাসপাতাল, কাওয়াগুচি, সাইতামা, জাপান।

জাপানে দাঁতের চিকিৎসা খুবই ব‍্যায়বহুল। কথাটি মাথায় রেখে গত চার সপ্তাহ ধরে এখানে আসছি।

“কী যাতনা বিষে, বুঝিবে সে কিসে
কভূ আশীবিষে দংশেনি যারে।”

উপরিউক্ত কবিতার লাইন পড়ে থাকলে বিশ্লেষন নিষ্প্রোয়োজন।


চতুর্থতম সাক্ষাতে ডাক্তার বলিলেন, আমাদের এখানে তিন ধরনের দাঁত পাওয়া যায়। সিরামিক, সোনা এবং রূপা। আমাকে তিনটি স‍্যাম্পলই বিস্তারিত বিবরন সহকারে দেখানো হলো।

ইমপ্লান্ট খরচ সহ দাত লাগাতে যথাক্রমে তিন লাখ, দুই লাখ এবং পঞ্চাশ হাজার ইয়েন খরচ হবে। সিরামিক দাঁত দেখতে হুবহু আসল দাঁতের মতো। আমি তো অবাক। কিন্তু সাধ এবং সাধ‍্যকে এক ঘাটে আনা যে অনেক কঠিন।

তাছাড়া জীবন-যৌবনের অপরাহ্নে এসে সোনা দিয়ে দাঁত বানানোর শখকে বিসর্জন দেয়াই শ্রেয়।

কি আর করা! অগত‍্যা রূপার দাঁত লাগানোর জন‍্য ডাক্তার কে অনুরোধ করলাম।

ডাক্তার এবং সেবিকার মমতাময়ী চিকিৎসায় খুব সুন্দর ভাবে ব‍্যাথামুক্ত দাঁত ইমপ্লান্ট সম্পন্ন হলো।

ডাক্তার ও হাসপাতাল সেবা যে এত সুন্দর ও বিশ্বস্ত হতে পারে তার উদাহরণ হচ্ছে জাপান।

বন্ধু মনে পড়ে কি?

August 8, 2016

​বন্ধু মনে পড়ে কি?

-মাহফুজ খান

বন্ধু মনে পড়ে কি?

ছাত্রবেলার সেই দিনগুলো

হঠাৎ হেসে ওঠার অর্থহীন বিষয়গুলো

অকারনে বান্ধবীদের বাসায়

মিথ‍্যে ছুতোয় হানা দেয়ার দুষ্টুমীগুলো

​বন্ধু মনে পড়ে কি?

বোকামীর জন‍্য একে অন‍্যকে শাষন করা

একসাথে নিজেদের ব‍্যাথায় ব‍্যাথিত হওয়া

আনন্দগুলোকে কেমন করে উপভোগ করা

​বন্ধু,এখনো কি মনে পড়ে?

চোখে জল আসে?

​চিন্তার বিষয়, বাঘ বলেছে আমি মানুষের কাছে যাবো

July 31, 2016

​​চিন্তার বিষয়, বাঘ বলেছে আমি মানুষের কাছে যাবো

-মাহফুজ খান

পিনপতন সমাবেশে হঠাত বাঘের হুঙ্কার

এ অসম্ভব, এটা আমি করতে পারবোনা

ছোট টুনটুনিটা সাহস নিয়ে খুব নিকটে গেল

প্রয়োজনে আমাকে ভক্ষন করে হৃদয়ে প্রশান্তি আনুন

চিত্রা হরিন, গরু এবং মহিষও একই নিবেদন করলো

হাতি খুব চিন্তায় পড়ে গেলো

তাহলে কি কোন উপায় নেই?

বানর দেখলো কুমিরের চোখে জল

ভূতম পেচাঁও কাঁদছে

আরো কাঁদছে ছোট্ট কাঠবিড়ালি

কাক, চিল, ময়না, টিয়াও একসাথে তীব্র প্রতিবাদ করতে লাগলো

বাঘ আবারও হুঙ্কার দিল

সমগ্র সুন্দরবন এগারো মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো

আবারো পিনপতন নিরাবতা

এবার নিরাবতা ভাঙ্গলো সুন্দরী, গেওয়া গরান এবং কেওড়া

আমরাই সবাইকে আশ্রয় ও প্রশান্তি দিয়ে থাকি

দেশের পরিবেশ রক্ষায় আমাদের অবদান অনেক

মহা সমাবেশে সবার দৃষ্টি আকর্ষিত হলো

সাপগুলো একটু নড়ে-চড়ে তাদের সমর্থন জানান দিলো

বাঘ হুঙ্কার দিয়ে বললো আমি কি করতে পারি?

 অজগর বললো আপনি পৃথিবীর বিখ‍্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার

আপনার আর্জি এদেশের মানুষ শুনবে

বাঘ আবারো হুঙ্কার দিয়ে বললো কেন মূর্খ মানুষের মতো চিন্তা করো?

ইহা অসম্ভব

কচ্ছপ সাহস নিয়ে বললো, সম্ভব

বাঘ রেগে বললো, কিভাবে?

মাছরাঙ্গা বললো, আপনি মানুষের পায়ে ধরুন

আমাদের নিরাপদ জীবনের ভিক্ষা চাইবেন

বাঘ এবার একটু শান্ত হলো

কিছুক্ষন চোখ দুটো বন্ধ রাখলো।

মৌমাছিরা গুনগুন করতে লাগলো

বাঘ চোখ খুলে সবার দিকে দৃষ্টিপাত করলো

রানী মৌমাছির ইশারায় সব মৌমিছিরা শ্লোগান বন্ধ রাখলো

অতপর বাঘ সংক্ষিপ্ত বক্তব‍্য রাখলো

প্রিয় উদ‍্যানবাসী, আপনারা জানেন এখানে আমাদের সংখ‍্যা এক সময় অনেক বেশি ছিল

স্বার্থপর মানুষ অকারনে আমাদের হত‍্যা করেছে

আমরা কখনোই প্রতিবাদ করিনি

আজ আমি আপনাদের চিন্তায় মহা চিন্তিত

আমি প্রয়োজনে মানুষের পায়ে ধরবো

মানুষের কাছে আমাদের জীবন ভিক্ষা চাইবো‌।

সুন্দরবন সবার কাছে চির সুন্দর থাকুক

এই হোক সবার জয়গান।

আমরা দুঃখিত এবং লজ্জিত

July 24, 2016

আমরা দুঃখিত এবং লজ্জিত

-মাহফুজ খান

(১)

গত ১লা জুলাই,২০১৬ বাংলাদেশে ঢাকার গুলশানে হলি আর্টিজেন রেস্তোরাঁয় সন্ত্রাসী জঙ্গী হামলায় সাত জন জাপানীজ সহ ২০ জন জিম্মি নিহত হয়েছেন, আজ তাদের স্মরনে জাপানে একটি শোকশোভা আয়োজন করা হয়েছিল। উপস্হিত ছিলেন জাপানে বাংলাদেশের মাননীয় রাষ্ট্রদূত

Ms. Rabab Fatima। এসেছিলেন অনেক জাপানীজ যারা দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের উন্নয়নের সাথে জড়িত। জাতি হিসেবে জাপানীজদের মনোবল অনেক শক্ত। সহজেই আমাদের মতো তারা কাঁদে না।

তবে আজ শোক শোভায় জাপানের অবদান সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারলাম।

 

(২)

মুক্তিযুদ্ধের সময় জাপানের স্কুলের বাচ্চারা তাদের টিফিনের টাকা বাংলাদেশের অনাহারে থাকা ক্ষুধার্ত শিশুদের দিয়েছিল। সব জাপানীজরা তাদের ট‍্যাক্সের টাকা বাংলাদেশী শরণার্থী শিবিরে পাঠিয়েছিল। যুদ্ধবিদ্ধস্ত বাংলাদেশের রাস্তা-ঘাট, সেতু নির্মাণে জাপানের ভূমিকা অনেক। আজ অবধি বাংলাদেশের উন্নয়নে সবচেয়ে বেশী অবদান রেখেছে জাপান। আজ সেই বন্ধুপ্রতিম জাপানীজদের হৃদয়ের রক্তক্ষরনের কারন বাংলাদেশ।

 

(৩)

ওয়াতানাবে সানের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক প্রায় ৪০ বছর। উনি যখন আমার চেয়ে শুদ্ধ বাংলাতে তাঁর বক্তব‍্য রাখছিলেন, তখন আমি আমার চোখের ভাষাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছিলাম।বিবেকের কাছে কেবলই প্রশ্নবিদ্ধ হই- যে দেশে শতভাগ নিরাপত্তায় জীবন যাপন করছি, সেই দেশের মানুষকে আমরা নিরাপত্তা দিতে ব‍্যার্থ হলাম। সত‍্যিই আমরা জাপানীজদের কাছে অবনত মস্তকে খুবই লজ্জিত।

লাল-সবুজ পতাকার বাংলাদেশ হোক লাল-সাদা পতাকার সূর্যদোয়ের দেশের মানুষের জন‍্য নিরাপদ স্থান।

​জঙ্গীবাদ এবং বাংলাদেশ

July 2, 2016

​জঙ্গীবাদ এবং বাংলাদেশ

-মাহফুজ খান

(১)

জঙ্গীবাদ, বাংলাদেশে একটি বিকৃত এবং অসুস্থ একটি রোগের নাম। এখনি সময় এই রোগকে সমূলে ধ্বংস করে দেয়া।গতকালকে কূটনৈতিক পাড়ায় হলি আর্টিজান বেকারি নামের একটি ক্যাফেতে ঘটনাটি প্রমাণ করে যে নিজ দেশে আমরা কেউই  এখন নিরাপদ নই। জঙ্গীবাদকে দমন করতে হলে, আমাদের পরিবার থেকেই আসলে প্রথম উদ‍্যোগটি নিতে হবে। আপনার পরিবারে এমন কেউ যদি থেকে থাকে, তাকে প্রথমে বোঝান। যদি কাজ না হয় তখন নিজ উদ‍্যোগে তাকে নিকটস্হ থানায় ধরিয়ে দিন। কারন, পরবর্তীতে ক্রসফায়ারে মৃত‍্যু বরণ করার চেয়ে সাজা ভোগ করে আবার শুদ্ধ হয়ে পরিবারে ফিরে আসাই হোক প্রতিটি পরিবারের একমাত্র আকাঙ্খা। ঠিক তেমনিভাবে এলাকা ভিত্তিক প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।প্রতিরোধ গড়ে তুলুন থানা ভিত্তিক। আপনি ভালো করেই জানেন যে, আপনার এলাকায় কে সন্ত্রাসী? আপানার কোন বন্ধুটির আচরণ সন্দেহজনক। এভাবে প্রতিটি পরিবার বা এলাকা বা থানা নিরাপদ হলে তবেই আমার আপনার প্রিয় ছোট্ট এই দেশটি নিরাপদ থাকবে। এই মহান কাজটি সবাইকে সততার সাথে করতে হবে। অন‍্যথায় কাঙ্খিত ফলাফল আসবে না।

(২)

সন্ত্রাস দিয়ে কখনোই ধর্মের সেবক হওয়া যাবে না। তাই ধর্মের নামে সন্ত্রাস বন্ধ করতে হবে। অন‍্যথায় অন‍্য ধর্মের লোকেরা আমার আপনার ধর্মকে নিয়ে তামাশা করবে। বানাবে কার্টুন বা সিনেমা। এতে আপনার কিছু যায় না আসলে আমি কিন্তু ভীষণভাবে লজ্জিত হই। বিদেশে অন‍্যরা যখন আমাদের ধর্মকে সন্ত্রাসী হিসেবে তুলে ধরে তখন নিজেকে খুব অসহায় লাগে।ভীত হই নিজের পরিচয় দিতে।

আর একটি কথা না বললেই নয় আর তা হলো প্রকৃত মুসলিমরা কখনোই সন্ত্রাসকে সমর্থন করেন না। তাই নিজেকে একজন সত‍্যিকারের মুসলমান ভাবার আগে ইসলামকে ভালোভাবে জানুন।

(৩)

যে দেশে থাকি সেখানে রিজনীতিবীদগণ খুবই সচেতন এবং সৎ। সততা এখানে প্রধান মাপকাঠি। গতমাসে পত্রিকায় দেখলাম, জাপানে টোকিওর মেট্রোপলিটন গভর্ণরকে পদত‍্যাগ করার জন‍্য তার দল বিশেষভাবে চাপ দিচ্ছে। তার অপরাধ তিনি প্রতি সপ্তাহে অফিসের গাড়িতে করে নিজের বাড়িতে যেতেন। রাজধানীর অদূরে একটি দামী হোটেলে স্বপরিবারে কয়েকদিন থেকেছেন। এইসব খরচের অর্থ তিনি রাজনৈতিক তহবিল থেকে নিয়েছিলেন। এ দেশে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব‍্যক্তিগত কাজে ব‍্যাবহার নিষেধ। আপনার দৃষ্টিতে এটি যদি অপরাধ হয়ে থাকে তাহলে আমাদের দেশের সব রাজনৈতিক নেতাদের পদত‍্যাগ করা উচিত। এমনিতেই এ দেশটি এত উন্নতি লাভ করেনি। প্রতিটি জনগনের নিরলশ পরিশ্রম এবং সততা এ দেশকে নিয়ে গেছে উন্নতির শিখরে।

(৪) 

আজ ঈদের শপিং করতে গিয়েছিলাম। সেখানে ছেলের স্কুলের এক বন্ধু এবং তার মায়ের সাথে দেখা। কুশল বিনিময় করার পর সে খুব চিন্তিত হয়ে বললেন যে, আজ জাপানের টেলিভিশনে বাংলাদেশের খবর দেখিয়েছে। কয়েকজন জাপানীজকে জঙ্গীরা জিম্মি করে রেখেছিল। আমার কাছে সর্বশেষ পরিস্হিতি জানতে চাইলেন। তারা এ ব‍্যাপারে খুবই চিন্তিত দেখলাম। কারন, এ দেশে প্রতিটি প্রাণ অনেক মূল‍্যবান। আমি ভেবে পাচ্ছিলাম না আমার এখন কি বলা উচিত? তিনি কিন্তু ভালো করেই জানেন আমি কোন ধর্মের অনুসারী। শেষে তাকে শান্তনা স্বরুপ সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বিশ্বের অন‍্য ঘটনাগুলোর রেফারেন্স দিলাম। তাকে বললাম যে, এ থেকে বাংলাদেশও শঙ্কামুক্ত নয়।

(৫)

বাংলাদেশে যে সমস্ত দর্জির দোকানে কালো কাপড়ের পাঞ্জাবী বানাচ্ছে তাদেরকে পর্যবেক্ষনের আওতায় আনতে হবে। সকল প্রকার চাপাতি প্রস্তুতকারীকে কঠিন নিয়ন্ত্রনের মধ‍্যে আনতে হবে। তলোয়ার শুধুমাত্র যাদুঘরে শোভা পাওয়া উচিত, জনসম্মুখে নয়। কেউ যদি জনসম্মুখে সেটা প্রদর্শন করে তখন তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে। আগ্নেয় অস্ত্রের মতো সকল প্রকার ছুরি, চাপাতিকে লাইসেন্স এবং ফিঙ্গার প্রিন্টের আওতায় আনতে হবে।
পরিশেষে, বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীসহ সকল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর প্রতি অনেক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আপানারা খুবই দক্ষতার সাথে পরিস্হিতিকে সামলাতে পেরেছেন। এ ধারা অব‍্যহত থাকুক। ভালো থাকুক সবাই। নিরাপদ থাকুক সবার প্রিয় মার্তৃভূমি-বাংলাদেশ।

কবিতার কান্না

May 24, 2016

কেন কবিতাগুলো তোমায় খোঁজে
কেন নিঃশব্দে তোমার জন্য কাঁদে

বন্ধু জীবন

April 19, 2016

বন্ধু জীবন
-মাহফুজ খান

যদিও তেইশ বছর চলে গেছে তাতে কি? এখনো কিছু স্মৃতি হৃদয়ে স্হান করে নিয়েছে। স্কুল ও কলেজের সেই কোমল দুষ্টুমিগুলো এখনো মনে একটি বিশেষ প্রভাব ফেলে। সব বন্ধুদের জানা-অজানা কথাগুলো গল্প আকারে প্রকাশ হলে আশা করছি সেই স্মৃতি সবারই ভালো লাগবে। অন্তত আমাদের ছেলে-মেয়েরা জানুক তাদের বাবা-মা কেমন মজার মজার দুষ্টুমি করতো। গল্পের অনেক কিছুই হয়তো এখন প্রকাশিত হলে আমরা লজ্জায় পরে যেতে পারি। তাতে কি? গল্প তো গল্পই। তাই আশা করছি সবাই তার স্মৃতি পটে থাকা কিছু কথা প্রকাশ করুক। এতে লজ্জিত বা ভীত হওয়ার কিছু নেই। আর যদি থেকেও থাকে, তাতে কি? যদি এতে কারো আপত্তি থাকে সে ক্ষেত্রে সেটি প্রকাশিত হবে না।

সব গল্পগুলো লেখা হলে সেটা বই আকারে প্রকাশ করতে চাই।